|
শুক্রবার, 21 আগস্ট 2009 23:35
|
|
|
|

কামরুল ইসলাম (সুমন):: বর্ষপরিক্রমায় রহমত মাগফিরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে আমাদের দরজায় কাড়া নাড়ছে মাহে রমজান বা সিয়াম সাধনার মাস।
সিয়াম কি? সিয়াম একটি আরবী শব্দ তার শাব্দিক অর্থ কোন জিনিস থেকে বিরত থাকা বা থেমে থাকা। ইসলামি শরিয়তে সুবহে সাদিক থেকে শুরু করে সূর্যাস্ত পর্যন্ত আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে কিছু পানাহার, পাপাচার ও কামাচার থেকে বিরত থাকার নামই সিয়াম বা রোজা।
|
|
বিস্তারিত পড়ুন
|
|
বুধবার, 12 আগস্ট 2009 10:13
|
|
|
|
মো: জামিলুল বাসার ,কানাডা
রমজান রোজা নয়; রোজাও রমজান নয়। আরবিতে ‘সিয়াম’, পার্শীতে ‘রোজা’ আর বাংলায় ‘উপবাস’বা কৃচ্ছ সাধনা। রমজান আরবী চন্দ্র মাসের নবম ও সবচেয়ে ছোট মাসটির নাম।
বিশ্বে বর্ষ গণনার প্রধান দু’টি উৎস: সৌর বর্ষ ও চন্দ্র বর্ষ। ছোট বেলার ভূগোলে শেখা যে পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর ২৪ ঘণ্টায় একবার ঘুরে আসে, ইহা আহ্নিক গতি এবং নিজ অক্ষের উপর ঘোরা অবস্থায় সূর্যের চারিদিকে মোট প্রায় ৩৬৫ দিনে একবার ঘুরে আসে, উহা বার্ষিক গতি। আহ্নিক গতির ফলে দিবা-রাত্র তথা বার্ষিক গতির ফলে আবহাওয়া ও জল বায়ুর পরিবর্তন হয়। এই পরিবর্তনকে লক্ষ করে ৩৬৫ দিনকে ১২ ভাগে ভাগ করেছে; যার প্রত্যেক অংশকে মাস বলে। অতঃপর মাসকে সপ্তাহ, দিন, ঘণ্টা, মিনিট ও সেকেন্ডে ভাগ করা হয়েছে।
|
|
বিস্তারিত পড়ুন
|
|
শুক্রবার, 05 জুন 2009 23:00
|
|
|
|
মীর্জা সোহেল ইসলাম হচ্ছে পরিপূর্ণ জীবন বিধান। মানব জীবনের এমন কোন দিক নেই যা ইসলামে আলোচিত হয়নি। কোন পরিবেশে বাস করলে মানুষের সুবিধা হবে বা মানুষ বেঁচে থাকতে পারবে তা নিশ্চিত করেছে ইসলাম। তাই ইসলামে পরিবেশের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। পরিবেশের স্বাভাবিক ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষ সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখে। তাই ইসলামে বৃক্ষ রোপণ এবং বৃক্ষের পরিচর্যার উপর অত্যন্ত গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে। বর্তমান যুগে বৃক্ষ রোপণের উপর যে গুরুত্ব প্রদান করা হচ্ছে তার পথ প্রদর্শন করেছে ইসলাম। আজ হতে দেড় হাজার বছর আগেই আমাদের প্রিয় নবী হযরত মোহাম্মদ (স:) পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষ রোপণ ও পরিচর্যার গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে গেছেন।
|
|
বিস্তারিত পড়ুন
|
|
শনিবার, 30 মে 2009 16:10
|
|
|
|
মো: জামিলুল বাসার :: রমজান রোজা নয়; রোজাও রমজান নয়। আরবীতে ‘সিয়াম’, পার্শীতে ‘রোজা’ আর বাংলায় ‘উপবাস’বা কৃচ্ছ সাধনা। রমজান আরবি চন্দ্র মাসের নবম ও সবচেয়ে ছোট মাসটির নাম।
বিশ্বে বর্ষ গণনার প্রধান দু’টি উৎস: সৌর বর্ষ ও চন্দ্র বর্ষ। ছোট বেলার ভূগোলে শেখা যে পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর ২৪ ঘণ্টায় একবার ঘুরে আসে, ওটিই আহ্নিক গতি এবং নিজ অক্ষের উপর ঘোরা অবস্থায় সূর্যের চারিদিকে মোট প্রায় ৩৬৫ দিনে একবার ঘুরে আসে, ওটিই বার্ষিক গতি। আহ্নিক গতির ফলে দিবা-রাত্র তথা বার্ষিক গতির ফলে আবহাওয়া ও জল বায়ুর পরিবর্তন হয়। এই পরিবর্তনকে লক্ষ করে ৩৬৫ দিনকে ১২ ভাগে ভাগ করেছে; যার প্রত্যেক অংশকে মাস বলে। অতঃপর মাসকে সাপ্তাহ, দিন, ঘণ্টা, মিনিট ও সেকেন্ডে ভাগ করা হয়েছে।
|
|
বিস্তারিত পড়ুন
|
|
বুধবার, 27 মে 2009 11:35
|
|
|
|
মাওলানা মীর্জা সোহেল ইসলাম শ্রমকে অপরিসীম মর্যাদা দিয়েছে। শ্রমহীনতাকে কোন রকমে প্রশ্রয় দেওয়া হয়নি। আল-কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন- “এমন কিছুতে মানবের অধিকার থাকবে না, যা সে নিজে চেষ্টা করে উপার্জন করেনি”। পরিশ্রম করে জীবিকা উপার্জন করা লজ্জার ব্যাপার নয়। প্রত্যেক নবী-রাসুল ই পরিশ্রম করে উপার্জন করেছেন । হযরত ইবনে আব্বাস (রা:) থেকে বর্ণিত - “হযরত দাউদ (আ:) বর্ম তৈরী করতেন, হযরত আদম (আ:) কৃষি কাজ করতেন। হযরত নূহ (আ:) কাঠ মিন্ত্রীর কাজ করতেন, হযরত ইদ্রীস (আ:) সেলাই কাজ করতেন এবং হযরত মূসা (আ:) রাখালের কাজ করতেন।” উপরোক্ত হাদীসের প্রেক্ষিতে শ্রমের গুরুত্ব ও মর্যাদা সুস্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়। শ্রম যদি নিচু ধরনের বিষয় হতো তাহলে নবীগণের মাধ্যমে আল্লাহতায়ালা এ জাতীয় কাজ সম্পাদন করাতেন না। মহানবী (সা:) বলেছেন- যে ব্যক্তি নিজে নিজে কামাই করে খায়, আল্লাহ তায়ালা তাঁর প্রতি প্রসন্ন’। রাসুলে করীম (সাঃ) এর কাছে জিজ্ঞেস করা হলো-হে রাসুল! কোন ধরনের উপার্জন শ্রেষ্ঠতর? তিনি জওয়াবে বললেন, নিজের শ্রমলব্দ উপার্জন। বুজুর্গানে দ্বীন বলেছেন- জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কাজ করো। ইসলাম যেমনিভাবে মানুষকে শ্রমের দিকে সৎ উপার্জনের দিকে উৎসাহিত করেছে, একে প্রশংসার দৃষ্টিতে দেখেছে তেমনি কোন রকম উপার্জন না করে সমাজের গলগ্রহ হয়ে থাকো ইসলামের দৃষ্টিতে অত্যন্ত ঘৃন্য এক কাজ, বেকার থাকা ইসলাম কোনক্রমেই সহ্য করতে পারে না।
|
|
বিস্তারিত পড়ুন
|
|
রবিবার, 17 মে 2009 23:44
|
|
|
|

মাওলানা শাহ আবদুস সাত্তার :: বিয়ে-শাদী এমন একটি পবিত্র বন্ধন ব্যবস্থা। যে ব্যবস্থার ফলে সুস্থ, সুসংহত এবং শান্তিপূর্ণভাবে জীবন-যাপন করার নিশ্চয়তা লাভ করে সমাজ। মানুষের পারিপাশ্বিকতাই মানুষকে সুস্থ মানুষ হিসাবে গড়ে তোলে। আর সুস্থ পরিবেশের প্রথম ধাপই হচ্ছে সংসার জীবন। শৈশবে পিতা-মাতার স্নেহ বন্ধন কাটিয়ে কৈশোরে পরবর্তীকাল অর্থাৎ যৌবনে নারী-পুরুষে বিয়ে বন্ধনের মাধ্যমে সংসার ধর্মে পদার্পণ করে।
|
|
বিস্তারিত পড়ুন
|
|
|
|
|
|